প্রিয় ক্যাম্পাস, (কাল্পনিক)
তোমার সবুজ সমারোহ আর বিল্ডিং গুলো এখন শুধুই স্মৃতির এলবামে শোভাময়। খুব মনে পড়ে সেই দূরান্তপনা আর দুর্দান্ত কাটানো দিনগুলোর কথা।
দিনগুলো ছিলো খুবই মধুর, কত আনন্দঘন সময় কাটিয়েছি, চাইলেও আর ফেরা যাবেনা।
মাঝে মাঝে মনে হয় সময় খুব নিষ্ঠুর, সব স্মৃতিগুলো নিয়ে চলে যায় আর ফিরেনা।
বন্ধুদের সাথে পড়ারছলে আড্ডা চলতো, দিন শেষে সবাই যে যার মত সিট না পেয়ে কেউ আবার বাসের হ্যান্ডেল ধরে ঝুলে ঝুলে বাড়ি ফিরতাম, একটু কষ্ট হলেও বেশ এনজয় করতাম, ক্লাসের বিরতিতে আড্ডা চলতো প্যারিস রোডের ( রাবি ক্যাম্পাসের একটা রোডের নাম) পাশের দেবদারু গাছের ছায়াতে বসে, শহীদুল্লাহ কলাভবনও আজো আছে আগের মতো কিন্তু আমরা কেউ নেই সেখানে।
আহ! যদি ফিরতে পারতাম সেই দিনগুলোতে, তাহলে আবার আড্ডা চলতো, গল্পের মাঝে লাল চা আর গরম গরম পুরি আড্ডা জমজমাট হয়ে যেত।
লাস্ট গাড়িটা ৫.১০ এ ছেড়ে যেত, এত ঠাঁসাঠাসি পা রাখার জায়গাটুকু নাই, তবু যেন বাড়ি ফেরাটা কেউ আটকাতে পারতোনা। আমরা মজা করে ড্রাইভার কে পাইলোট বলতাম, আমাদের দেয়া নামটা তিনিও বেশ এনজয় করতেন। এভাবেই চলতো প্রতিদিনের যুদ্ধ।
আসাদ, সায়েম, রাইহান, আহাদ,ফরিদ,মতিন, সবাই আজ নিজ নিজ কাজে ব্যস্ত যে যার মতো, চাইলোও আর তাদের কাছে পাওয়া যাবেনা। বন্ধুরা সবাই ভালো থাকুক দোয়া রইলো ( এরা সবাই আমার অনার্স লেবেলের বন্ধু)
ইতি,

0 মন্তব্যসমূহ