জ্ঞানপাপীরা পালিয়ে গেছে,

শিক্ষাগুরু ভেড়ার পাল;

বিক্রি হচ্ছে বিনামূল্যে,

বাঙাল গপ্পে ফুলায় গাল!

শিক্ষকেরা বলছে এখন,

যেমন চলছে চলুক দেশ।

মাসের শেষে মাইনে বাড়ুক,

এই আমাদের দাবীর শেষ।


আমরা  অত ভাবছি কেন,

দেশ কি আমরা চালাই নাকি?

সকল খাতেই চলছে এখন,

শুভঙ্করের দারুন ফাঁকি।


এই ফাঁকিবাজ নিজের হাতেই,

আমরা কি ভাই দেই নি গড়ে?

শিক্ষকতার মহান পেশা, 

দাঁড়ায় না কি এ কাঠগড়ে?


কাহার বাবা, কাহার স্বামী,

দেশ কিনে আজ করছে দান?

কুক্ষিগত ধনরাশি,

নজীর বিহীন প্রাচার যান!


দরীদ্র থেকে হতদরিদ্র,

কৃষকের আজ মাথায় হাত।

লুট হয়ে গেছে কাঙালের ধন,

বুভুক্ষু আজ সকল খাত।


রাষ্ট্র যন্ত্রে বসে আছে যারা,

লাল ফিতা বাঁধা ফাইল,

দেশকে ঠেলিছে আজ হতে দূরে,

সাতশত কোটি মাইল!


হায় দেশ আমার! অভিভাবকেরা,

ভীরু আর কাপুরুষ!

হাসিছে আজকে শয়তান আর,

হাবিয়া উঠিছে ফুস!


ইসলাম আজ বিপন্ন দেশে,

মুসলিম কোটি কোটি,

এরা মসজিদে যায়,সুদ-ঘুষ ও খায়,

মন্দিরে পরে লুটি।


জনপ্রতিনিধি বানাই আমরা,

শান্তি আনবে বলি,

এরা সেজে বসে ইতালীর এক,

পাপী ম্যাকিয়াভেলি!


এখন অবশ্য ভীরুর দলেরা,

সুখেই রয়েছে বেশ।

অত্যাচারীর সহকারী হয়ে,

ভুংভাং অনি:শেষ।

ভোটাভুটি চলে নিশুত রাতে,

সন্ধ্যায় উদযাপন!

আমি অধম একাই কি শুনি,

সাম্যের ক্রন্দন?


বিচারের বানী কেঁদেই চলেছে,

বিচারক বেচে টাকায় রায়;

ইন্দ্র বসিয়া কাঁদছে শোন,

টিপাইমুখ ও গো-তিস্তায়।


আমি অধম দেশ-প্রেমের,

অপরাধে আজ কাতরপ্রাণ।

দেশ-চালকেরা করলো আমার,

মাতৃভূমিরে অসম্মান!


কি লাভ হবে পেটুয়া বাহিনী,

ভয় পেয়ে আর এ মাটির পর?

দুনিয়ার চেয়ে শ্রেষ্ঠ আমার, 

পরকালের রোজ হাসর।


আমার মাটিরে  ভালবেসে আমি,

বলি হে প্রিয় দেশ,

সার্বভৌম রাখিতে তোমারে 

নিজেরে করিবো শেষ।


কীভাবে হীন স্বার্থের লাগি,

দেশ বিক্রির ঝোঁক,

যার দিকে চেয়ে প্রান খুলে হাসে,

সতেরো কোটি লোক!


আগে যদি হতো জানা,

আগরতলা কাছে আনতেই পদ্মার সেতু টান,

তবে বাংলার ভেড়া কখনো হয়ত,

দিতো না অনুমোদন। 


আজ পুড়ছে আমার মন,

নিজের দেশেরে মারিতে নেতার,

এ কেমন আয়োজন!!


কারে কহিব মর্ম বেদনা,

উত্তোরণের কমাণ্ড দিন,

আমার আসুক ফিলিস্তিনের , 

মহান সেনানী "সালাহদ্দীন"